দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপন করল ওয়ালটন

শূন্য কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি-বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।

শূন্য কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি-বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি নিজস্ব অর্থায়নে ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ভাসমান বা ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে জলাশয়ের ওপর স্থাপন করা এ প্রকল্পটি দেশে বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বুলনপুরে ২ দশমিক ৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি প্রকল্পে শূন্য দশমিক ৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার ফ্লোটিং সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছিল।

ওয়ালটনের এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু বলেন, ‘ভবিষ্যৎ টেকসই শিল্পোন্নয়ন যে পরিবেশবান্ধব হতে পারে এবং প্রকৃতি ও প্রযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই যে শিল্পের প্রকৃত উন্নয়ন, তার প্রমাণ ওয়ালটনের নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের এ উদ্যোগ।’

ওয়ালটন আরো দুটি জলাশয়ে একই ধরনের ফ্লোটিং সোলার প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জলাশয়ের ওপর ভাসমান এ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করছে না; বরং মৎস্য চাষ, ভূমি সংরক্ষণ, পানির বাষ্পীভবন হ্রাস ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়া কারখানা বন্ধ বা আংশিক সচল থাকলে এ প্লান্ট থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং সিস্টেমের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হচ্ছে।’

মোস্তাফিজুর রহমান রাজু আরো জানান, এ প্রকল্পে ব্যবহৃত ফ্লোটিং স্ট্রাকচারগুলো ফুড-গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি, যা পানি বা জলজ প্রাণীর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

আরও